Sale!

শেষ চৈত্রের ঘ্রাণ – নুরজাহান আক্তার আলো | বেস্টসেলার ২০২৫

Original price was: ₹560.00.Current price is: ₹399.00.

নামের মতোই, গল্পটি বসন্তের শেষ মাস চৈত্রের ঘ্রাণ নিয়ে শুরু হয় – একটা মিষ্টি কিন্তু বিষাদময় অনুভূতি, যা প্রেম, বিচ্ছেদ এবং জীবনের পরিবর্তনের প্রতীক। কেন্দ্রীয় চরিত্র শীতল, একজন সাধারণ মেয়ে, যার জীবনে ঢোকে শোয়াইব শুদ্ধ – বর্তমানের রাজনৈতিক জগতের এক উদীয়মান নেতা। শোয়াইবের ভাষণে আগুন, চোখে স্বপ্ন, কথায় প্রতিশ্রুতির দৃঢ়তা। শীতল তার ছায়ায় খুঁজে পায় ভালোবাসা এবং আদর্শের নির্ভরতা, দুজনে মিলে গড়ে তোলে একটা তীব্র সম্পর্ক। কিন্তু রাজনীতির ঘূর্ণিতে সবকিছু উল্টে যায় – ক্ষমতার লোভ, বিশ্বাসঘাতকতা, পরিবারের চাপ এবং সমাজের অন্ধকার দিকগুলো গল্পকে জটিল করে তোলে।

থিমগুলো: প্রেমের তীব্রতা, রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র, বিচ্ছেদের বেদনা এবং সময়ের সাথে হারিয়ে যাওয়া স্মৃতির ঘ্রাণ।পাঠকরা বলেন, এটা “একটা ইমোশনাল রোলারকোস্টার” – শুরুতে রোমান্টিক, পরে পলিটিক্যাল থ্রিলারের মতো।

Description

শেষ চৈত্রের ঘ্রাণ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী শীতল আর ছাত্রনেতা শোয়াইব শুদ্ধ তুমুল প্রেমে পড়ে। শোয়াইব বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেয়। কিন্তু ক্ষমতার লোভে সে বড় নেতার মেয়ে আরিফাকে বিয়ে করে শীতলকে ফেলে চলে যায়।

শীতল তখন শোয়াইবের সন্তান গর্ভে নিয়ে একা পড়ে। পরিবার তাকে তাড়িয়ে দেয়। সে একাই ছেলে শুভ্রকে মানুষ করে।

বছর পাঁচেক পর শোয়াইব এখন মন্ত্রী। সে ফিরে এসে শীতল-শুভ্রকে নিজের কাছে নেয়। কিন্তু আরিফা ষড়যন্ত্র করে শীতল ও শুভ্রকে গাড়ি অ্যাক্সিডেন্টে মেরে ফেলে।

শীতল মারা যাওয়ার আগে শোয়াইবকে বলে, “তোমার শেষ চৈত্রের ঘ্রাণ আমি ছিলাম, এখন আর পাবে না।”

শোয়াইব পাগল হয়ে যায়। গল্প শেষ।

লেখিকা সম্পর্কে সংক্ষেপে:

নুরজাহান আক্তার আলো (পেন নেম: আলো) বাংলাদেশের একজন তরুণী লেখিকা, যিনি রোমান্টিক এবং ড্রামাটিক গল্প লিখে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। তাঁর লেখায় প্রেমের সঙ্গে সমাজ, রাজনীতি এবং আবেগের মিশ্রণ দেখা যায়। “শেষ চৈত্রের ঘ্রাণ” তাঁর একটি উল্লেখযোগ্য রচনা, যা ফেসবুক গ্রুপ যেমন “নুরজাহানস ফ্যামিলি” বা “হোল্ডে খামারের ভালোবাসা”-তে ফ্যানদের মধ্যে আলোচিত।

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “শেষ চৈত্রের ঘ্রাণ – নুরজাহান আক্তার আলো | বেস্টসেলার ২০২৫”

Your email address will not be published. Required fields are marked *