Description
সুইসাইড নোট – মোঃ সহিদুল ইসলাম রাজন
শ্রাবণ – একটা সাধারণ কিশোর। বাবা-মা’র মধ্যে প্রতিদিন ঝগড়া, চিৎকার, শেষে বিচ্ছেদ। মা চলে যান অন্য পুরুষের সঙ্গে, বাবা নতুন বিয়ে করেন। শ্রাবণ দুই ঘরের মাঝে হারিয়ে যায়। কেউ তার খোঁজ রাখে না।
স্কুলে বন্ধুরা বুলিং করে, প্রেমে ধোঁকা খায়, পরীক্ষায় ফেল করে। ধীরে ধীরে তার মধ্যে অন্ধকার বাড়তে থাকে। সে ডায়েরিতে লেখে – যাকে বলে “সুইসাইড নোট”। প্রতিটা পাতায় তার কষ্ট, রাগ আর শেষ ইচ্ছের কথা।
একদিন শ্রাবণ আর ফেরে না। তার ঘরে পাওয়া যায় শুধু সেই ডায়েরি আর একটা চিরকুট: “আমি কারো দোষ দিচ্ছি না। আমি শুধু আর পারছি না।”
বইটা শেষ হয় পাঠকের গলা বন্ধ করে দিয়ে। একটা ছেলে কীভাবে একা একা ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে শেষ হয়ে যায় – তারই নির্মম দলিল।
খুবই ভারী, কিন্তু যারা মানসিক স্বাস্থ্য আর পারিবারিক ভাঙনের বাস্তবতা বুঝতে চায় – তাদের জন্য অবশ্যপাঠ্য।
লেখক পরিচিতি – সুইসাইড নোট
মোঃ সহিদুল ইসলাম রাজন – বাংলাদেশের একজন উদীয়মান তরুণ লেখক, যিনি সমকালীন উপন্যাস, থ্রিলার এবং মানসিকতা-কেন্দ্রিক গল্পের জন্য পরিচিত। জন্ম ১৯৯৫ সালের ১৯ জানুয়ারি, নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরহাজারী গ্রামে। তাঁর বাবা হুমায়ুন কবির এবং মা সুলতানা রাজিয়া।
প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক শিক্ষা নিজ গ্রামে সম্পন্ন করেন। উচ্চমাধ্যমিক সরকারী মুজিব কলেজ থেকে। লেখালেখির শুরু হয় তাঁর ছাত্রজীবন থেকে, এবং “সুইসাইড নোট” (২০২১) তাঁর সবচেয়ে আলোচিত সৃষ্টি। বইবাজার প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত এই উপন্যাসে তিনি পারিবারিক ভাঙ্গন, মানসিক অবসাদ এবং যৌবনের একাকীত্বের নির্মম চিত্র তুলে ধরেছেন।
তাঁর লেখার স্টাইল সহজ, আবেগপূর্ণ এবং বাস্তবতাময় – যা পাঠককে নিজের জীবনের সাথে যুক্ত করে ফেলে। অন্যান্য জনপ্রিয় বই: “অন্ধকারের ছায়া”, “হারানো স্বপ্ন” ইত্যাদি। বইমেলায় তাঁর স্টলে ভিড় জমে, এবং পাঠকরা তাঁকে “যৌবনের কষ্টের কথা বলার কবি” বলে সম্বোধন করেন।

Reviews
There are no reviews yet.